বন্টননামা দলিল বাতিল করার নিয়ম

 বন্টন নামা বা আপোষ বন্টন দলিল হচ্ছে র্পৈত্রিক সম্পত্তিতে শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক  আপোষ এর ভিত্তিতে ভাগ করে নেয়ার একটি আইনগত দলিল |

বন্টননামা দলিলের মূল শর্ত:

সকল শরিকদের  দলিলে অন্তর্ভুক্তি করতে হবে : বন্টন নামা দলিলে সকল শরিকদের   দলিলে অন্তর্ভুক্তি করতে হবে এবং দলিলে সকল শরীকদের স্বাক্ষর করতে হবে । 

সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট বিবরণ :  দলিলে কোন শরিক কোন সম্পত্তি পাইবে তাহা দাগ ও খতিয়ান এবং চৌহদ্দির মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে দিতে হবে ,এবং কতটুকু পরিমাণে সম্পত্তি পাইবে তাহা দলিলে স্পষ্ট করতে হবে | 

সমানুপাতিক বন্টন :  শরিকদের সম্পত্তিতে আইনি প্রাপ্য বা  সমঝোতার ভিত্তিতে কম বেশি করে বন্টন করা যেতে পারে তবে এই সমঝোতা দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে । 

রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতা মূলক : ২০০৪ সালের সংশোধিত রেজিস্ট্রি আইন অনুযায়ী বন্টন নামা দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে রেজিস্ট্রি বিহীন আপোষ বন্টন দলিল এর কোন আইনগত ভিত্তি নাই । 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :

সকল  শরিকদের জাতীয় পরিচয় পত্র ।

 সম্পত্তির মূল দলিল পত্র ও ভায়া  দলিল  । 

এস ,  এ  পর্চা ও বি আর এস পর্চা প্রয়োজন হলে সি , এস  পর্চা ও আর ,  এস  পর্চা । 

সর্বশেষ নামজারি খতিয়ান ।

হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন  রশিদ।

 পৈত্রিক সম্পত্তিতে ওয়ারেশ সনদপত্র ।

খরচ   : বন্টনামা দলিল করতে স্বাভাবিক সাব -রেজিস্ট্রি কৃত দলিলের ন্যায় খরচ হয় না  , এখানে স্বাভাবিক সাব -রেজিস্ট্রি কৃত দলিলের থেকে অপেক্ষাকৃত কম খরচ হয়  , তবে দলিলে উল্লেখিত মোট সম্পত্তির উপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারিত হয় । 

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ  : বন্টননামা দলিল সম্পত্তির মালিকানা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল ,  ভবিষ্যতে যেন সীমানা ও মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা না দেয় এজন্য দলিল প্রস্তুত করার সময় একজন অভিজ্ঞ আইনবিদ বা অভিজ্ঞ দলিল লেখক এর সহায়তা নেওয়া দরকার । 

Post a Comment

Previous Post Next Post