বাংলাদেশী হিন্দু সম্পত্তি বন্টন হয় মূলত দায়ভাগা মত অনুযায়ী একজন নারী সম্পত্তি বন্টন প্রক্রিয়া ভিন্নতর হয়ে থাকে হিন্দু আইনে নারী সম্পত্তিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে স্ত্রীধন ও উত্তরাধিকারী সূত্রে প্রাপ্ত জীবনি স্বত্ব ।
মায়ের মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি সন্তানদের মাঝে কিভাবে বন্টন হবে তা নিচে আলোচনা করা হলো ।
স্ত্রী ধন বন্টন :
একজন মহিলা তার বিবাহের সময় পিতা ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের নিকট হইতে যে উপহার সামগ্রী পায় অথবা মহিলার জীবদ্দশায় যে সম্পত্তি চাকরি ব্যবসার মাধ্যমে নিজে উপার্জন করে তাই হলো স্ত্রীধন ।
মায়ের মৃত্যুর পরে এই স্ত্রী ধন আইন অনুযায়ী বণ্ঠিত হবে
প্রথম : সবার আগে কুমারী কন্যা অধিকার পাবে।
দ্বিতীয় : অবিবাহিত কন্যা সন্তান না থাকলে পুত্র সন্তান আছে এমন কন্যা সন্তান বা পুত্র সন্তান সম্ভাবনাময় কন্যা ।
বন্দা বা পুত্রহীন কন্যা সন্তান বঞ্চিত হবে ।
তৃতীয় : যদি কোন কন্যা না থাকে কুমারী বা বিবাহিত তখন পুত্র সন্তান মায়ের সম্পত্তি পাবে একাধিক পুত্র সন্তান হইলে সমানভাবে ভাগ করে নিবে ।
চতুর্থ : যদি কন্যা সন্তান জীবিত না থাকে এবং পুত্র সন্তান না থাকে তবে কন্যার পুত্র সন্তান সম্পত্তি পাইবে ।
দুই নম্বরে উত্তর অধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জীবন স্বত্ব :
একজন নারী তার স্বামীর নিকট হইতে প্রাপ্ত সম্পত্তি ও বাবার নিকট হইতে প্রাপ্য সম্পত্তি তার জীবন স্বত্ব এর সম্পত্তিতে একজন নারী নিরঙ্কুশ মালিক হয় না আজীবন শুধুমাত্র ভোগ দখল করিতে পারে এই জীবন স্বত্ব বন্টন ভিন্ন ।
যা নিচে আলোচনা করা হইল
মায়ের মৃত্যুর পরে ঐ সম্পত্তি পুনরায় মূল মালিকের যেমন বাবা এর উত্তর অধিকারীদের নিকট চলে যায় যেহেতু মূল মালিকের সম্পত্তিতে হিন্দু নিয়ম অনুযায়ী পুত্রসন্তানি এক নম্বর ওয়ারিস পুত্র না থাকলে পুত্রের পুত্র বা নাতি উত্তর অধিকারী হয় ।
পুত্র সন্তান না থাকলে কন্যার পুত্র সম্পত্তি পাবে
পুত্র সন্তান না থাকলে এবং কন্যার পুত্র না থাকলে ।
স্বামীর সহোদর ভাই সম্পত্তি পাইবে না থাকলে সৎ ভাই পাইবে
সহোদার ভাই জীবিত না থাকলে স্বামীর ভাইয়ের পুত্র সম্পত্তি পাবে
উল্লেখিত ওয়ারিসগণ না থাকলে স্বামীর বোনের পুত্র সম্পত্তি পাইবে ।
