ওয়ারিশগণের বর্ণনা
১ । স্বামী :
স্বামী নিঃসন্তানি স্ত্রীর সম্পত্তিতে অর্ধেক অংশ পায়।
২ । পিতা :
তবে শর্ত থাকে এই যে পিতা জীবিত থাকলে ভাই ও বোন মৃত : নিঃসন্তানি বোনের সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হয়।
৩ । মাতা :
মাতা নিঃসন্তানি মৃত: মেয়ের মোট সম্পত্তির ১ / ৬ এর একাংশ পায় ।
৪ । ভাই ও বোন :
পিতা জীবিত না থাকলে ভাই ও বোন অবশিষ্ট ভুগি হয় , অবশিষ্ট সম্পত্তিতে ভাই ও বোন ২ : ১ অনুপাতে ভাগ করে নিবে।
মুসলিম উত্তরাধিকারী আইন ফারায়েজ অনুযায়ী উক্ত সম্পত্তি বন্টনের সারসংক্ষেপ :
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
বিশেষ উপদেশ ;
নিঃসন্তানি বোন জীবিত থাকা অবস্থায় তাহার সম্পত্তি যদি রেজিস্ট্রিকৃত দানপত্র দলিল বা রেজিস্ট্রিকৃত হেবা দলিল বা রেজিস্ট্রিকৃত উইল দলিল এর মাধ্যমে বন্টন করে না দিয়ে যায় তাহলে তার সম্পত্তি বন্টন মুসলিম ফারায়েজ আইন অনুযায়ী হবে ।
মৃত নিঃসন্তানি বোনের সম্পত্তি ভাগের বাস্তব অভিজ্ঞতা :
আমি রামপাল উপজেলার বাঁশতলী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান শেখ এর স্ত্রী মৃত : নিঃসন্তান ফাতেমা বেগমের সম্পত্তি ভাগ করতে গিয়ে দেখি ফাতেমা বেগম মৃত্যু আনতে ১২০ শতক জমি রেখে যান , তাহাতে ফাতেমা বেগমের ওয়ারিশ থাকে স্বামী , মাতা , এক ভাই , দুই বোন উক্ত সম্পত্তি হইতে কে কতটুকু জমি পাইবে ?
স্বামী পাইবে ৬০ শতক ।
মাতা পাইবে ২০ শতক ।
এক ভাই পাইবে ২০ শতক ।
এক বোন পাইবে ১০ শতক ( একত্রে দুই বোন পাবে ২০ শতক
