হেবা দলিল বাতিল করার নিয়ম

 বাংলাদেশে হেবা দলিল সাধারণত মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি বৈধ আইনগত দলিল একবার হেবা দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে তা বাতিল করা কঠিন । 

কখন হেবা দলিল বাতিল করা যায় না

দাতা  স্বেচ্ছায় হেবা করেছে  ।

গ্রহীতা সম্পত্তির দখল পেয়েছে । 

দলিল বৈধভাবে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে ।

যে কারণে হেবা দলিল বাতিল হতে পারে :

১  নাম্বারে  দখল বুঝিয়ে না দিলে :

 যদি শুধু দলিল করা হয় কিন্তু হেবা গৃহিতা  কে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেওয়া না হয় ,  তাহলে হেবা দাতা আদালতে দলিল বাতিলের আবেদন করতে পারে । 

২  নাম্বারে প্রতারণা ও জোড়পূর্বক দলিল: 

 যদি প্রমাণ করা যায় যে ,  প্রতারণা হয়েছে জালিয়াতি হয়েছে ,  জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে  , দাতা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল ,  তাহলে হেবা দলিল বাতিল করার মামলা করা যায়। 

  ৩ নাম্বারে শর্ত ভঙ্গ হইলে  :  

কিছু ক্ষেত্রে  শর্ত যুক্ত  হেবা হলে  হেবারা  শর্ত ভঙ্গ হলে হেবা ভঙ্গ হয়।

হেবা দলিল বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া :  

১ নম্বরে দেওয়ানী আদালতে মামলা :  কোন নির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে  ( সিভিল কোর্টে ) দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে ।

২  নম্বরে প্রমাণ উপস্থাপন  : আদালতে দাতা বা বাদির প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি জাল ,  প্রতারণামূলক ,  বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছে  , আদালত তথ্য প্রমান যাচাই করে সন্তুষ্ট হইলে দলিল বাতিলের রায় দিতে পারে । 

পরামর্শ : হেবা দলিল বাতিল করতে হলে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আদালতে মামলা করতে হবে । 

Post a Comment

Previous Post Next Post