স্বাভাবিকভাবে কোন মুসলমান ব্যক্তি তার জায়গা জমি আল্লাহর নামে দান করে দেয় এবং ঐ জায়গা জমি মানুষের কল্যাণে বা ধর্মের কাজে লাগে তখন তাকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে |
ওয়াকফ সম্পত্তির প্রকার :
সাধারণভাবে ওয়াকফ দুই প্রকার |
১ । আল্লাহর নামে ওয়াকফ :
এই সম্পত্তি হইতে প্রাপ্ত অর্থের উদ্দেশ্য হল মসজিদ মাদ্রাসা বা জনগণের কল্যাণে কাজ করা ।
২ । নিজ বংশধরদের জন্য ওয়াকফ :
নিজ বংশধর বা পরিবার-পরিজনের কল্যাণের জন্য এই ওয়াকফ এর সম্পত্তি হইতে প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহার করা হয় ।
আমাদের দেশের ওয়াকফ প্রশাসনের ভূমিকা :
বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ওয়াকফ প্রশাসন রয়েছে যাদের কাজ হচ্ছে ওয়াকফ সম্পত্তি দেখাশোনা বা পরিচালনা করা ১৯৮৮ সালের এবং ১৯৬২ সালের ওয়াকফ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিটি রেজিস্টার্ড ওয়াকফ জমি হিসাব নিকাশ রাখে ও তালিকা করে ।
বাংলাদেশের ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা দেখার নিয়ম :
ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা অনলাইনের মাধ্যমে দেখা যায় নিচে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো ।
প্রথমে আমরা ওয়াকফ প্রশাসনের নিজের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট Waqf . gov . bd প্রবেশ করি |
তারপরে হোমপেজে ওয়াকফ এস্টেট অনুসন্ধান অপশনে যেতে হবে |
তারপরে আপনার প্রয়োজনীয় বিভাগের নাম , জেলার নাম , উপজেলার নাম দিতে হবে |
তালিকায় আছে এমন ওয়াকফ এস্টেট এর নাম দিয়ে খুঁজলেই ঐ এলাকার নতির অন্তরভুক্ত জমির বিস্তারিত দেখা যাবে ।
ওয়াকফ জমি বেচা যায় :
সাধারণ ধর্মীয় নিয়মে ওয়াকফ জমি বেচা যায় না তবে বিশেষ কারণে যেমন জমি যদি নষ্ট হয়ে যায় বা জনগণের কল্যাণে কাজে ব্যবহারের জন্য ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ওয়াকফ জমি বেচা যায় ।
ওয়াকফ জমি কেনার আগে ক্রেতার কর্তব্য :
ওয়াকফ জমি কেনার আগে ক্রেতাকে দেখতে হবে যে ওয়াকফ জমির কাগজপত্র যেমন , মূল দলিল , জমির খতিয়ান , যিনি ওয়াকফ করেছেন তার নিজের জমি ওয়াকফ করেছে কিনা । সর্বোপরি ওয়াকফ এর জমি বেচার জন্য ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমতি আছে কিনা ওয়াকফ জমি কেনার জন্য এগুলো দেখতে হবে ।
